কিয়ামতের দিন রোজাদারের জন্য ‘কোরআন’ আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে

কুরআন মু’সলমানদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ। ইসলামী ইতিহাস অনুসারে দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে খণ্ড খণ্ড অংশে হযরত মুহাম্ম’দ (সাঃ) এর নিকট অবতীর্ণ হয় পবিত্র কুরআন। একজন মু’সলমান হিসেবে অবশ্যই আমাদের কুরআন পড়া উচিৎ।

কোরআন অবতরণের মাস: মানবজাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তালার প্রেরিত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোরআন মাজিদ রমজান মাসে অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআন অবতরণের সূত্র ধরেই রমজান মাস শ্রেষ্ঠ মাস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আল্লাহ

বলেন, ‘রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎ পথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারীরূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৫)কোরআন অবতরণের সূচনা: রমজান মাসের কদরের রাতে নবী (সা.)-এর প্রতি

কোরআন অবতরণের ধারাবাহিকতা শুরু হয়ে যা সুদীর্ঘ ২৩ বছরে পরিপূর্ণ হয়েছে। শুরুটা মহিমান্বিত কদরের রাতে হওয়ার কারণে আল্লাহ বলেন, ‘নিঃস’ন্দে’হে কদরের (রমজানের এক বিশেষ) রাতে আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি।’

(সুরা : কদর, আয়াত: ১)পুরো কোরআন প্রথম আসমানে স্থানান্তর: আল্লাহ তালা কোরআন মাজিদকে রমজান মাসের কদরের রাতে লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে বাইতুল ইজজাতে স্থানান্তর করেন। কোরআন মাজিদ লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত

রয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘বরং এটি মহান কোরআন, লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত।’ (সুরা : বুরুজ, আয়াত: ২১-২২)
রমজান মাসে কদরের রাতে আল্লাহ তালা কোরআন মাজিদকে সেখান থেকে প্রথম আসমানে বাইতুল ইজজাতে নিয়ে রেখেছেন।

সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ২৩ বছরে নবী (সা.)-এর ও’পর অবতীর্ণ হয়েছে। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তালা কদরের রাতে কোরআন মাজিদ পুরোটাই লাওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে বাইতুল ইজজাতে অবতীর্ণ করেছেন।

অতঃপর প্রয়োজন অনুযায়ী ২৩ বছর ধরে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ও’পর অবতীর্ণ হয়েছে। (ইবনে কাসির, ৮ম খণ্ড, পৃ. ৪৪১; তাফসিরে কুরতুবি, ২০তম খণ্ড, পৃ. ১২৯)রোজা ও কোরআনের সুপারিশ: রোজা রোজাদারের জন্য আর কোরআন তার

পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে। আল্লাহ তাদের সুপারিশ কবুল করবেন। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে,

রোজা বলবে, হে প্রতিপালক! আমি দিনের বেলা তাকে পানাহার ও স’হবাস থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল করো। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার

সুপারিশ কবুল করো।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘অতঃপর উভ’য়ের সুপারিশই কবুল করা হবে।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৬

About admin

Check Also

How To Win Friends And Influence People with stanozolol injection

Ultime Novità Fuelled risk sentimentand tamoxifen citrate solubility in water helped the dollar gain, especially …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *